• ঢাকা শনিবার, ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার কিশোর কিশোরীদের পিকনিক!

ফেসবুক কর্নার
|  ২৬ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৮ | আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৮

অনলাইন ডেক্সঃ ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি পাতিলে মাটির চুলায় ভাত বসিয়ে কোমলমতি শিশুরা তার দিকে তাকিয়ে আছে। কখন হবে তাদের পিকনিকের ভাত আর তরকারি!

পিছনের দিনগুলোতে একসময়ে আমরাও এমন করেছি। সবাই মিলে সবার ঘর থেকে এক পর্ট চাল, দুই মুঠো ডাল, দু একটি পেঁয়াজ, একটুখানি হলুদ মরিচের গুড়া, এক দুটি আলু, যদি থাকতো ডিম তাহলেতো একটা ডিম আর একটুখানি তেল নিয়ে আসতাম।

এরপরে সবাই মিলে রাস্তার পাশে ও বাগান বাড়ি দিয়ে রান্না করার জন্য লাকড়ি সংগ্রহ করতাম। তারপরে ভালো একটা জায়গা দেখে ইট দিয়ে চুলা বানাতাম। শেষে কেউ পেঁয়াজ কাটতো, কেউ চাল ধুয়ে দিতো, আবার কেউ পানি আনতো। কেউ আলু কেউবা আবার ডিম সিদ্ধ ছিলে দিতো। সবকিছু গুছিয়ে চুলায় রান্না বসিয়ে দিয়ে চুলার চারপাশ ঘিরে বসে থাকতাম।

অন্যদিকে কেউ আবার কানামাছি খেলা, কেউ আবার কুক পালান্তি খেলা, কেউবা আবার লুডু খেলায় ব্যস্ত থাকতো।

রান্না শেষ হওয়ার সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে ঘর থেকে স্টিলের থালা আর একটা স্টিলের গ্লাস নিয়ে আসতাম।

খোলা আকাশের নিচে, চারপাশে প্রাকৃতিক বাতাসের মধ্যে সবাই মাটিতে হোগলা বিছিয়ে বসে যেতাম।

সবার আগে পাওয়ার জন্য কেউ আবার সামনের দিকে থালা জাগিয়ে রাখতো। কিন্তু তা হতোনা। যে খাবার বন্টন করবে সে বলে উঠতো কেউ আগে পাবেনা। ঠিকমত বস নাহলে কিন্তু দিবোনা। সবার থালা সামনে রাখ। আমরা ঠিক সামনেই রেখে দিতাম। এক এক করে সবাইকে বন্টন করে দেয়া হলে খাওয়া শুরু করতাম।

ছবিতে গ্রামবাংলার কিশোর কিশোরীর বনভোজন খাওয়ার আনন্দ মুহূ।                      ছবি-সংগৃহিত।  

দিনগুলোর কথা মনে পরলে মন চায় সেই দিনে আবার ফিরে যাই।

আর এখন পিকনিক তো দুরের কথা আমরা পুরনো দিনেক কথাই দিনে দিনে ভুলেই যাচ্ছি।

এখন বর্তমানে পিকনিক হলে আমরা এমন করিনা। টাকা দিয়ে দেই পরে গিয়ে খেয়ে আসি। সবকিছুই আধুনিক।

জিনিয়াস ফেরদাউছ এর ফেসবুক থেকে সংগ্রহ। w


ww.facebook.com/fardausgenius

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়